জাতীয় সংসদে পাস হলো অর্থবিল ২০১৮

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

বেশ কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এনে বুধবার রাতে জাতীয় সংসদে পাস হলো অর্থবিল ২০১৮। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিলটির ওপর বেশ কয়েকজন সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য আলোচনায় অংশ নেন। পরে বিরোধী দলের ৬ জন সংসদ সদস্য বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনীর প্রস্তাব আনেন। কিন্তু তাদের জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব নাকোচ হয়ে কন্ঠভোটে সংসদে অর্থবিল ২০১৮ পাস করা হয়েছে।গত ৭ জুন বিলটি সংসদে উথাপিত হয়।

আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের উপর ভ্যাট, ট্যাক্স ও সম্পুরক শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পরিবর্তন আনা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো, তথ্য প্রযুক্তির খাতে প্রসারের জন্য ইন্টারনেট সেবার ওপর থেকে আরোপিত ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। দেশীয় ও স্থানীয় মোবাইল শিল্পকে উৎসাহিত ও এই শিল্পের অধিক বিকাশে ৫ শতাংশ আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এনার্জি বাল্পের ওপর প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সিমকার্ড ও স্মার্ট কার্ড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য আমদানী শুল্ক ১৫ শতাংগ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

আমার সব বাজেটই নির্বাচনী বাজেট:অর্থমন্ত্রী/কাদের বলছেন নির্বাচনের নয় জনগনের বাজেট

জনগণের রক্ত চোষার লুটের বাজেট:রিজভী ‌

এছাড়াও অর্থবিলে নিউজপ্রিন্টে আমাদানীতে সম্পৃরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে অর্থবিলে ধৃুপায়ীর সংখ্যা কমিয়ে আনতে নিন্মস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার মূল্য ২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা এবং উচ্চ স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার মূল্য ১০১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৫ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া অর্থবিলে জর্দা ও গুলের ওপর শুল্ক বাড়ানোপর প্রাস্তাব করা হয়েছে। পেট্রোলিয়াম জেলির ওপর আরোপিত সম্পুরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত বাজেটে ডাবল কেবিন পিকআপ আমদানীরতে সম্পুরক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বাজেটের অর্থবিল পাসের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৯ বছর পর বাজেটে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শিল্পের মৌলিক কাচামাল আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।’

এছাড়াও বিলে ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করারও বিধান করা হয়েছে। উত্থাপিত বিলের ওপর কয়েকটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।

বানিমি/আজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *