পলিথিন বর্জ্য পরিবেশ দূষণের মূল কারন : ড. নাসরিন আহমাদ

স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট

পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ এসেছে পরিবেশ বিষয়ক এক সেমিনার থেকে। ‘সবুজ পরিবেশ আন্দোলন’ নামের পরিবেশ নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় জাদুঘরে এ সেমিনার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাক ড. নাসরিন আহমাদ এমন কথা বলেন।

তিনি বলেন, “রাজধানীতে ২০ লাখ পরিবার এক মাসে গড়ে ৩৫ লাখ টন পলিথন ব্যবহার করে। এর মধ্যে মাত্র ১০ ভাগ পলিথিন ডাষ্টবিনে ফেলা হয়। বাকী পলিথিন বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারনে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়ছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের পয়োজন।’

শাহাবাগ থেকে ইমরান এইচ সরকার গ্রেফতার

স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা জেলাসহ ১৯ ইউনিটের কমিটি ঘোষণা

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ‘সবুজ পরিবেশ আন্দোলন’ নামের পরিবেশ নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় জাদুঘরে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাক ড. নাসরিন আহমাদ। ক্রিকেটার এনামূল হক বিজয়। পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এ কিউ এম মাহবুব। অধ্যাপক আফতাব আলী শেখ, ড. মাহবুবা নাসরিন। আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি শহীদুল্লাহ শিকদার। এটিএন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ ই মামুন।অভিনয় শিল্পী রোকেয়া প্রাচী।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনন করেন ড. মো. খবির উদ্দিন। মুল প্রবন্ধে তিনি বলেন, “৮০’র দশকের পর থেকেই এদেশে প্লাস্টিক পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ব্যবহারের পর এসব পণ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ হুমকির মুখে পরছে। ২০০২ সালে সরকার আইন করে পলিথিন বন্ধ করলেও এখনও এর ব্যবহার কমেনি। পচনশীল না হওয়ায় পলিথিন জমে ঢাকার সোয়ারেজ লাইন, নদীসহ পরিবেশের ক্ষতি বাড়াচ্ছে। আর তাই, বিকল্প ব্যবহার বাড়িয়ে প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।’

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “দেশে প্রায় ৫ হাজারের বেশি প্লাষ্টিক কারখানা রয়েছে। নগর জীবনে এর ব্যবহারও কম নয়।এজন্য ঘর থেকেই সচেতনা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। পাষ্টিক পণ্যের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।’

বানিমি/আজ/মিমহা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *