জানজট,জলজট ঠেলে পৌঁছালাম ৮টার পর

৩টার পরিবর্তিত ফ্লাইট ছাড়ল ৩টা ৪০।চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে পৌঁছাললাম ৪ টা ২০।কালুরঘাট সংলগ্ন গ্রাম মোহরা, অামার বাপদাদার ঠিকানা।অামাদের বাড়ি। জানজট,জলজট ঠেলে পৌঁছালাম ৮টার পর।মাঝ পথে গাড়িতে বসে ইফতার।ইফতারের ঠিক অাগ মুহূর্তে ঢাকা থেকে এক বন্ধু ফোন করে জানতে চাইল বাড়ি পৌছলাম কিনা।যখন বললাম নাএখনো পৌঁছাইনি।কারণ অামরা থাকি শহরের বাহিরে,শহরের ভিতর গ্রাম,হালদা অার কর্ণফুলির মোহনায় অবস্থিত গ্রাম , নাম তার মোহরা।বন্ধু অামার অবাক!! জানতে চাইল গ্রামে কেন থাকি?।তোদেরতো শহরের প্রাইম লোকেশনে জায়গা জমি অনেক।ঠাট্টা করে বললাম,শহরের দামি যায়গায় হোটেল রেস্তোরা করে ব্যবসা করি,অার গ্রামে থাকি টাকা বাচানোর জন্য!! বন্ধু অামার রেগে মেগে একাকার। বুঝিয়ে বললাম,হে দোস্ত, বাড়ি করার মত শহরের অভিজত এলাকায় জায়গা জমি বেশ কটা অাছে।বাড়িও অাছে।কিন্তু অামরা থাকি গ্রামে।কারণ গ্রামের মায়া ছাড়তে পারিনি।এখানেই অামার বাপ দাদা শুয়ে অাছেন,এখানেই অামার জন্ম,বেড়ে উঠা,পড়া লেখা,ব্যবসা,রাজনীতি, সমাজ..মা এখনো বেছে অাছেন।৬ ভাই ও তাদের ছেলে মেয়ে, নাতিপতি নিয়ে একই ছাদের নীচে ঘুমাই,এক টেবিলে বসে খাই।মোহরাই অামার প্রাণ। বন্ধু অামার অবাক।ফোন রাখার অাগে বলল,এবার ঈদের ছুটিতে তোদের বাড়িতে বেড়াতে অাসব বউ বাচ্চা নিয়ে।

লেখক: সৈয়দ নুরুল ইসলাম

সিইও : ওয়েল গ্রুপ ও ইন্ডাস্ট্রিজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *